বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২০, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

মীর মেহেদী হাসানের কবিতা

মীর মেহেদী হাসানের কবিতা

১.
আমায় নিয়ে একটি কবিতা লিখো
গল্প লেখার সময় আসেনি মোটে,
অল্প অল্প করে শিল্প সমূহ শিখো
তার আগে তুমি আবৃত্তি করে ঠোঁটে।

আমারে তুমি নায়ক করো সখি
এবং নায়িকা হও গো নিজে,
হয়োনা হয়োনা জলে ভেজা পাখি
বুকের কোটরে বাসা নাও তুমি খুঁজে ।

ছন্দ, প্রতীক, উপমা, অলংকারের
হয়ে য্যাক এক সে ভীষণ বাড়াবাড়ি,
অকবি হায় এইবারে পাবে টের
কবিতা এখন লিখতেও পারে নারী।

২.
সদর দরজা খুলে,হাঁটতে থাকলো অবিরাম
যেনো সে রাঁধাই,
শুধু কলসের বদল কাঁখে নিয়েছে বই।
মেঠোপথ পাড়ি দিলো :
বিয়াত্রিচের মতন মোহনীয় ভঙ্গিমায়।
তারপর আধাপাকা রাস্তা পেরিয়ে পিচঢালা হাইওয়ে,
সম্মুখে বিস্তৃত বাতাস ;
সুনসান, নীরবতাময়!
তারপর কোন কল্পনা নয়।
সকালের রোদ গায়ে মাখতে মাখতে…
আর রোদ ছড়াতে ছড়াতে হাঁটতে থাকলো মেয়েটি।
বিদুষী নারীর ছ’টায় খেয়াল করিনি ক’টার কাঁটা ক’টায় গেছে!
আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম, নিজেকে নিলামে তুলে সেদিন।
সে আসলো বটে!
বুক চিরে ঢুকে, পিঠ চিরে চলে গেলো বহুদুর।
হয়তো সে বললো,” ভালবাসি”
আর আমি শুনতে পেলাম -” কবুল, কবুল “

৩.

সেই শনিবারে দেখা,
আজ রবিবার, পথ চাহি একা একা।
সূর্য ডুবেছে, সূর্য উঠেছে,
সারারাত শুধু করুণ বিরহ লেখা।
এতদিন গেলো, শত ঋণ হলো
শোধ বলো কবে হবে?
গান গাইতে পরাণ আকুল,
মিলনের উৎসবে।

কাল সোমবার,
তুমি বলে আসবে না!
বাড়িতে রবে,
আমি জানি, হাসবে না।
গম্ভীর মুখে, বিরহের দুখে
হয়ে যাবে তুমি নীল ;
বিরান আকাশে উড়ে বেড়ানো
নিজসঙ্গ চিল ।

আজ রবিবার,
মনে পড়ছে যে মোর :
পনেরোর আগে, কিশোরবেলার ঘোর।
নরম স্বরে, পরম সুরে
বলেছিলো এই বুক…
আমার তরে, কারো
পরাণ কান্দুক।

শেয়ার করুন...




© All rights reserved
Design & Developed BY ThemesBazar.Com